মাঝে মাঝে অতর্কিতে সব কিছু ছিঁড়ে যায়। ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। তাই বলে মুখ বুজে সব সহ্য করে যাবে নাকি? পেছন ফিরে ঝাপসা হয়ে আসা অদৃষ্টকে ক'টা কটু কথা বলেই চুপ করে যাবে? গলা চিরে, গলা ফাটিয়ে কাঁদবে না? তারপর ব্যথিত আহত গলায়, বুকে উঠে দাঁড়াবে না? নির্ভীক অসংকোচ দৃষ্টিতে বলবে না সামনের দিকে তাকিয়ে, এবার?
সব হিসাব একদিনে মেটে না। চন্দ্রসূর্য, অযুত-নিযুত গ্রহতারা সাক্ষী - এ গ্রহের কণায় কণায় জেগে আছে ধৈর্যের আখ্যান। তিলে তিলে গড়ে ওঠা জীবনের মহাকাব্য, অদৃশ্য থেকে দৃশ্যমান, সরল থেকে জটিল। তুমি তো সে কাব্যের এক ক্ষণমাত্র। ধৈর্যচ্যুত হও যদি প্রত্যাখ্যাত হবে - বীর্যের, মাধুর্যের, অমৃতমন্থনের মহাযজ্ঞশালায়। শান্ত হও। তুমিই শেষ অধ্যায় নও। তুমি অকিঞ্চিতকরও নও। মহাকালের দাবী দম্ভের অস্থিরতায়, ক্ষুদ্রদৃষ্টিতে গ্লানিতে পর্যবসিত কোরো না। তুমি তোমাতেই শেষ নও। মনে রেখো।