এইটাই তো ঠিকানা? না?
মোবাইলটা আবার চেক করল। যে বন্ধু সঙ্গে এসেছিল সেও চেক করল। অথচ দরজা বন্ধ। আলো জ্বলছে না। দুটো পিৎজা নিয়ে দুজনে বেশ কয়েকবার কলিংবেল বাজালো। বাজল না। উল্টোদিকের ফ্ল্যাট থেকে একজন ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে বললেন, খাবার অর্ডার দিয়েছে তো? উফ! কী যে করে। ওই খেয়েই মরল, তাও নোলা গেল না….দাও আমার এখানে রেখে যাও…. পেমেন্ট করে দিয়েছে তো?
দুজনে এর ওর মুখের দিকে তাকিয়ে দুটো পিৎজা রেখে বাইরে এলো। স্কুটি দুটো নিয়ে কিছু দূর এগোতেই মোবাইলটা বেজে উঠল। ওপাশ থেকে শোনা গেল, দাদা আমি একটু ইমার্জেন্সিতে বাইরে এসেছি, পিৎজাদুটো রেখে যাবেন প্লিজ উপরের ফ্ল্যাটে?
না, মানে আপনার উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ভদ্রলোক যে নিয়ে রাখলেন…..
কে? ওখানে তো কেউ নেই এখন
একজন রোগা করে বয়স্ক ভদ্রলোক….
ওপাশ থেকে কোনো আওয়াজ আসছে না। কিছুক্ষণ পর ফোনের ওপার থেকে বলল, আমি তো হাসপাতালে দাদা, উনি খানিক আগেই মারা গেলেন…. লিভার ফেলিওর ছিল….
Category
- Log in to post comments
- 5 views