Skip to main content

জঙ্গল কেটে সভ্যতা বানালাম

জঙ্গল কেটে সভ্যতা বানালাম। জঙ্গলের পশুত্বটাকে সাথে করেই আনলাম। ওকে কাটবে কে? বাঁধবে কে?

জানলাটায় তোমার অধিকার

যদি বলি জানলাটায় তোমার অধিকার, জানলার বাইরের প্রবহমান দৃশ্যে নয় - বলবে জ্ঞান দিচ্ছো।
অথচ তোমার চোখের পাতায় চুমু খেতে দিয়ে, চোখের কথাগুলোকে চির-অনধিকারে রাখছো।

মে দিবস

ফাটা মাটি। অবাধ্য পাহাড়। শুষ্ক মরুভূমি। যন্ত্রের রক্তচক্ষু।
       যারা মুখোমুখি, পাশাপাশি, হাতেতে হাত রেখে
            যারা যেন বেহিসাবী, প্রাক-মঞ্জুরিত প্রাণ
          তারা বুঝুক আবার আজ, তাদের টানেই জীবনের জয়গান।

তুচ্ছ প্রাণ

অতি তুচ্ছ প্রাণ, উর্দ্ধে তুলি শির
   প্রণমিল স্রষ্টারে, করি আত্মদান
বৃহৎ এ সংসারে রচিল
     আপনার ক্ষুদ্রতম স্থান

(ছবিঃ প্রীতম পাল)

দেশলাই

রাস্তাটা পেরোলেই দোকান। পরিতোষ তাও যেতে পারছে না। ওর পা যেন কিসে আটকে ধরেছে। কোমর থেকে পায়ের পাতা অবধি ছিঁড়ে যাচ্ছে ব্যাথায়। তবু এক প্যাকেট সিগারেট না হলে চলছেই না।

ছিটকিনিতেই আটকায়

দরজা জানলা কব্জায় না, ছিটকিনিতেই আটকায়
সম্পর্কগুলো সম্পর্কে না, বিধি-নিষেধেয় সমস্যায়

হাতের কাছেই আছো ভেবে

হাতের কাছেই আছো ভেবে, কখনো হাত বাড়ালাম না
আজ হাত বাড়াতে গিয়ে দেখি, হিসাবে ঠিক ছিলাম না

সিনেমা শেষ হলে

সিনেমা শেষ হলে, সাদা পর্দাটা চুপ, সব কথা ফুরিয়ে যায়
কিছু কিছু মানুষ কি করে কখন যেন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়

সত্য যেখানে মাধুর্য ছোঁয়

সত্য যেখানে মাধুর্য ছোঁয়
         সেখানে তুমি আমার
প্রশ্ন যেখানে বিস্ময় ছোঁয়
         সেখানে আমি তোমার

তুমি জন্মেছো

তুমি জন্মেছো
     তোমার বুকে জগৎ জন্মেছে

তুমি জন্মেছো
    তোমার বুকে প্রেম জন্মেছে

তুমি জন্মেছো
    তোমার বুকে দুঃখ জন্মেছে

ওরা আছে, কারণ তুমি আছো
   এটাই সত্যি, বাকিটা গল্প
      তারা বানিয়েছে, যারা নেই
   সে গল্পও আছে, কারণ তুমি আছো

Subscribe to