Skip to main content

চপ

        বললে তো হবে না, অনেকেই বারণ করেছিল বিশুদাকে বাড়িটা কিনবেন না, কিনবেন না। ভালো না বাড়িটা। এখন পস্তাচ্ছেন। 

ওরা প্রতিবাদ করবে না


তুমি একটা কফিনে 
আরো কয়েকটা মৃতদেহ রাখতে পারো
অথবা কিছু মৃতদেহ
    আধপোড়া করে নদীর চরে ফেলে রাখতে পারো

মৃতদেহরা প্রতিবাদ করবে না

বজ্র আঁটুনির ফস্কা গেরো

        কথায় বলে বজ্র আঁটুনির ফস্কা গেরো। আজ সকালে অনেকের ফেসবুক প্রোফাইলে দেখলাম লেখা আছে Profile is Locked. ভালো কথা। অর্থাৎ আমার প্রাইভেসি মান্যতা পাচ্ছে, সুরক্ষিত থাকছে। কিন্তু একি সেই 'ওরকম মনে হয়' গোত্রের কিছু হয়ে যাচ্ছে না? 

বিচিত্র এ সংসার

        বাবা খানিক সুস্থ। অবশ্যই অনেকের শুভেচ্ছায়, যত্নে, চিকিৎসায়। সিদ্ধান্ত হল আয়া রাখার দরকার নেই তবে আর। সেন্টারে ফোন গেল, তারা উৎসাহে বললেন, "বাহ! মেশোমশাই ভালো তবে, এতো খুব ভালো কথা!"

কুহক


        সন্ন্যাসী নদীর তীরে। একটাই গেরুয়া। স্নানের পর নগ্ন শরীরে বসে। পাশে মেলা গেরুয়াবাস। সন্ন্যাসীর চোখে বিতৃষ্ণার দৃষ্টি। সংসার - মিথ্যা কুহকাবৃত ছলনার স্রোত, মূঢ় মানুষ। শুদ্ধতার সাধন নেই।

প্রতিশ্রুতি

        ব্যস্ত সন্ধ্যে। গুমোট শহর। পাদানিতে দাঁড়ানো অধৈর্য অস্থির উদ্বিগ্ন মানুষের সারি। যেন সব কিছু হারিয়ে যাবে এখনই ঝাঁপ না দিলে। ঝাঁপ দিলেও পাওয়া যাবে সে নিশ্চিন্ততাও নেই। বিভ্রান্তিতে লক্ষ্যহীন দৌড়াদৌড়ি।
        ছেলেটার গায়ে নীল টিশার্ট তার সাথে চলতি কালারের বাজার উপচানো সস্তা জিন্স। সদ্য যৌবনে পা। খেটে খাওয়া শরীরের সন্ধ্যের অবসরের সস্তা শৌখিন বিলাস।         সিগারেটের দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে। পা দোলাচ্ছে। ঠোঁটে দুলছে জ্বলন্ত সিগারেট, একটার পর একটা। ফোন কানের কাছে উঠছে বারবার, "একবার এসো, প্লিজ..."। জীবনবাজি ডাক।
...

কোরাস


যদি রাস্তার এক ধারে দাঁড়িয়ে থাকো
দেখবে ব্যস্ততার একটা ছন্দ আছে
সব মানুষের হাঁটার, হাত দোলানোর, চাহনির, মাথা নাড়ার একটা নিজস্ব ছন্দ আছে
তুমি সব মিলিয়ে একটা সিম্ফনি বলতে পারো
   অথবা কোরাস

প্রতিটা আঙুল দেখো, প্রতিটা উচ্চারণ শোনো
  প্রতিটা মুখভঙ্গি দেখো
     কোথাও তোমার সাথে মিল আছে

চর্চা-মনন-পাঠ

        'চর্চা' শব্দটার আগে বানান ছিল 'চর্চ্চা'। চর্চ্চ শব্দটার অর্থ আলোচনা, আন্দোলন, উচ্চারণ। সেই থেকে চর্চ্চা, তার থেকে চর্চা। চর্চা মননের শব্দ। মুক্তো কি করে হয়?

আবার ধুপধাপ আওয়াজ

        আবার ধুপধাপ আওয়াজ। এবার রান্নাঘরের উপরের তলা থেকে। যতই হোক, রাত্তিরবেলা সেই আওয়াজটাও বিরক্তিকর। কিন্তু যতবারই উপরের তলায় দরজায় ধাক্কা দেন, কেউ দরজা খোলে না। দিনের বেলায় তালা দেওয়া থাকে। কি ঝক্কি!

Subscribe to