Skip to main content
  • Naho Mata Naho Kanya
  • Buku
  • Gonsai
  • কে এই গোঁসাই? সে রূপ আর অরূপের মধ্যে একটা সেতু। সে এক সীমাহীন ভালোবাসা। যে বিচার করে না, অনুভব করে। অনুভবের কোনো পরিধি হয় না, কেন্দ্র হয়। গোঁসাই সেই কেন্দ্রবিন্দু। যে কেন্দ্রবিন্দুর জন্য খোঁজ আমাদের চিরকালের। গোঁসাইয়ের দায় তাই শাস্ত্রীয় বিধানের প্রতি নয়, আবহমানকাল ধরে বয়ে আসা মানুষের হৃদয়ের কাছে। গোঁসাই - সৌরভ ভট্টাচার্য
  • হাসি পেলে সেই হাসির আমেজে অন্যকে হাসানো একটা গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্তব্য বলে মনে করি। হাসি অনেকপ্রকার। প্রসন্নমুখের হাসি, খুকখুকে হাসি, দমফাটা হাসি, গড়িয়ে পড়া হাসি, পেট ব্যথা করা হাসি, চোখে জল আনা হাসি ইত্যাদি ইত্যাদি। এ ছাড়া বাঁকা হাসি, বিদ্রুপের হাসি ইত্যাদি কিছু গোলমেলে হাসিও আছে তা দোষযুক্ত, অতএব বাতিল। এই লেখাগুলো বেশিরভাগই দৈনন্দিন জীবন থেকে নেওয়া। হাসির উপাদানের তো অভাব নেই সংসারে। শুধু সে ঘটনাগুলোর ভারটুকুকে বাদ দিয়ে তার রসটুকুকে দেখার চোখ দিয়ে দেখলেই কেল্লাফতে।
    ধন্যবাদান্তে, সৌরভ ভট্টাচার্য গড়বড় - সৌরভ ভট্টাচার্য Kindle Edition
  • সাতাশটি অণুগল্পের এই সংকলনে লেখক সৌরভ ভট্টাচার্য সমকালীন সময়, সমাজ এবং ব্যক্তিকে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেছেন, যা নৈর্ব্যক্তিক, কিন্তু উদাসীন নয়; মমতাময়, কিন্তু নিরপেক্ষ। লেখক তাঁর সহজ কথনভঙ্গিমায় সমাজ ও ব্যক্তির মনোজাগতিক বিশ্লেষণ করতে করতে এক অভাবনীয় দার্শনিক ভাবনা উত্থাপন করেছেন পাঠকের মনে৷ তিনি এখানে গল্প বলার প্রচলিত ধারা ভেঙে দিয়ে যে ন্যারেশন এনেছেন সেখানে অণুগল্প নিয়ে তাঁর নিজস্ব পরীক্ষা-নিরীক্ষার ছাপ স্পষ্ট৷ তাঁর গল্পগুলো পাঠকের মনে এই জিজ্ঞাসা বুনে দেয় যে, সাহিত্য কি শুধুমাত্র বিনোদনের উপকরণ? নাকি দায়বদ্ধতাও? গল্পগুলো পাঠকের মনে এই ধারণা দৃঢ় করবে যে মনোযোগী পাঠক এবং লেখকের যৌথ দায়বদ্ধতাই সাহিত্যকে জীবনের দিশা করে তোলে৷
    অভিযান পাবলিশার্স ঘড়ির দাগ - সৌরভ ভট্টাচার্য
slider image

স্বাগতম আমার লেখার জগতে

সাহিত্য জগতে অনেক পারিজাত, পদ্ম, গোলাপ ফুটে আছে। আমি আমার আগাছা ভরা বাগানে কিছু বনফুল ফুটিয়ে রাখলাম। আগাম ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালাম যদি পথ ভুলে কেউ এ বাগানে এসে থাকেন।.

সৌরভ ভট্টাচার্য

 
 
 

নির্বাচিত ক্যাটাগরি

অনুগল্প

বুঝবে সমুদ্র

মিষ্টির দোকানের বেঞ্চটা নর্দমার উপর পাতা। নর্দমা নদী না। কিন্তু জলের স্রোত তো। আর এই বড় নর্দমার জলে এত স্রোত যে ময়লা জমে না। একটু দূরে নর্দমার উপরেই দুটো পেচ্ছাপ করার জায়গা বানিয়ে দিয়েছে মিউনিসিপালিটি থেকে। মেয়েদের ওসব করার জন্য আরো ভিতরে যেতে হবে, বাজারের মধ্যে। আর তাদের জন্য?

পড়ুন

কবিতা

তখনও সন্ধ্যে নামে নি।

তখনও সন্ধ্যে নামে নি।
কি জানি কেন হঠাৎ খেয়াল হল
তোমায় দেখব।

ভাবতে ভাবতে সারাটা আকাশ কি করে তুমি হয়ে গেলে
বাতাসও যেন রপ্ত করে এল ...

পড়ুন

প্রবন্ধ

প্রবন্ধ

মতুয়া শব্দটা আমি প্রথম শুনি ‘শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত’ তে। মতুয়ার বুদ্ধি - রামকৃষ্ণদেবের ভাষায়। সে মতুয়ার বুদ্ধি মানে কি? নিজের মত সম্বন্ধে অন্ধবিশ্বাস। অবশ্যই রামকৃষ্ণদেব যতবার মতুয়া শব্দটা উচ্চারণ করছেন, ততবারই নিন্দাত্মক ভাবেই উচ্চারিত হচ্ছে। ফলে আমার ধারণা জন্মেছিল খুব সঙ্কীর্ণ অন্ধবিশ্বাসী কোনো সম্প্রদায়ের কথা রামকৃষ্ণদেব নিশ্চয় বলছেন।

পড়ুন
 
 
 

গোঁসাই

মধুপ

মধুপ

বলে ঈশ্বরের উপর নির্ভর করো… একি কথা গোঁসাই? যাকে দেখা যায়, ছোঁয়া যায়, যার কথা শোনা যায় তার উপরেই নির্ভর করা যায় না, এদিকে বলে কি যে দেখাশোনার বাইরে তার উপর নির্ভর করো? একি কোনো কাজের কথা হল গোঁসাই?
  গোঁসাই আজ ভীষণ সেজেছে। তার গলায় মালা। পরনে কি চমৎকার নীল কাপড়! মাথায় একটা শিখীপাখা… কি সাজ গো গোঁসাই এ?
  গোঁসাই বাগান না জঙ্গল যাই বলো, তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে। চারদিক জ্যোৎস্নায় ভেসে যাচ্ছে। পলাশে, শিমূলে লালে লাল চারদিক। গোঁসাই এসে দাঁড়িয়েছে তার মাঝে।
  গোঁসাই বলল, নির্ভর কি চোখ, কান, নাক করে গো… নির্ভরতা এক অনুভব। এক সুখ।
  বললাম, সুখ না ছাই গোঁসাই… নিজেকে ঠকানোর এক উপায়।

আরো পড়ুন

বুকু

বাঘের গল্প বাঘের মুখে

বুকু

বাঘের গল্প কেউ বলতে পারে না। কেউ না। কেউ না। কেউ না। সবাই বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলে।
        তাই হল কি বুকু রেগেমেগে ঠিক করল জঙ্গলে গিয়ে এক্কেবারে বাঘের মুখ থেকেই বাঘের গল্প শুনবে। বুকু বাড়ি থেকে জঙ্গলে যাবে কি করে? এই এক ভাবনা। বুকুর বাড়িতে বুকুর ঠাকুমা, ঠাকুর্দা, বাবা, মা, পিসি, কাকা, কাকি --- কত্তো লোক! কিন্তু এরা কেউ তাকে জঙ্গলে নিয়ে যাবে? কেউ না। বুকু ক্লাস থ্রিতে পড়ে। এমন কিছু ছোটোও নয় যে তাকে জঙ্গলে নিয়ে যেতে হবে কাউকে হাতে ধরে। সে গাছে চড়তে পারে, সাঁতার কাটতে পারে, দৌড়াতে পারে, ঝাঁপ দিতে পারে। তবে? আর কি চাই? জঙ্গলে গিয়ে এগুলোরই দরকার বেশি। 

       বুকুর বাড়ি থেকে জঙ্গলের রাস্তাটা সোজা। কিন্তু অনেকটা সময় লাগে। বাস যায়। রাতে একটা বাস, দিনে একটা বাস। বুকু ঠিক করল সে দিনের বেলার বাসেই যাবে। কিন্তু বাসে উঠতে গেলেই তো নানা লোকে নানা প্রশ্ন করবে। এত ছোটো বাচ্চা কোথায় যাচ্ছে? কেন যাচ্ছে? সাথে কে? উফ্‌..., কেন যে বড়রা এত প্রশ্ন করে! তবে কি ভাবে যাবে?
       বুকু বাড়িতে দু’দিন কোনো দুষ্টুমি করল না। এখন শান্ত হয়ে থাকতে হবে। কেউ যাতে বেশি নজরে না রাখে তাকে। বুকুর একটা নিজের ঘর আছে। সেখানে সে ধীরে ধীরে, সবাইকে লুকিয়ে ব্যাগপত্তর গুছিয়ে রাখতে শুরু করল। এখন শুধু সুযোগের অপেক্ষা।   

      সুযোগ এসেও গেল, একদিন সকালে বাড়িতে পাড়ার অনেক লোক এসেছে, সবাই ব্যস্ত। বুকু চুপিচুপি তার ব্যাগটা নিয়ে বাড়ির দরজাটা খুলে গলি দিয়ে বেরিয়েই দে ছুট। বাড়িতে পুজোর মিটিং হচ্ছে। পাড়ার সবাই এখন অনেকক্ষণ হইচই করবে। কেউ তার দিকে খেয়ালই রাখবে না। আর জঙ্গলে পৌঁছাতে তার বড় জোর দু-ঘন্টা লাগবে। তারপর আর তাকে পায় কে!

আরো পড়ুন

 

 
 

ভাইরাল পোষ্ট

নতুন লেখা

ফিরে দেখা

ভাব দরিয়া


যার আগু পিছু ভাবা আছে
তার কি প্রেমে মন মজেছে?
সে তো মহাজনীর কারবারী ভাই
ভাবের ঘরে সিঁদ চালায়

যে জন হিসাব কিতাব ভুলতে পারে
সে ভাবের হাওয়া চিনতে পারে
এক ঠাঁয়েতেই বসে বসে
ভাব দরিয়ায় নাও চালায়

O Lord


I  am not able to see you,
the world become visible through you.

I am not able to hear you,
I listen world's message through your whisper.

I am not able to understand you,
I can realize my bondage through your light.

I don't search you,
I search me within myself inside you.