Skip to main content

মিথ্যা


----
মন্দ্র সপ্তকে মিথ্যা বলা যায় না
        মিথ্যা বলতে তার সপ্তক লাগে
চোখের মণির দৃষ্টি ছুটে তীর বেরোলে
        সাজানো কথার ঢালের আড়াল লাগে

আলো


----
আলো নেভালেও যে আলো থাকে
সে আলো চোখের বাইরে না
      সে ভিতর পথে ডাকে

২----
সাচ্চা হৃদয় খুঁজছি
       নিশ্চই সে আছে
না হলে রোজ সকালে এত আলো
      কারই বা খোঁজে আসে?

ভুল


====
ভেজা চোখ এড়াতে মুখ ফেরালাম
    ভাবলে উপেক্ষা
শুকনো চোখে তোমার দিকে ফিরলাম
    ভাবলে চালাকি

সাধনা

তোর বাসনায় জাগা সংসারে
তোর সাধনায় জাগা অন্তরে
রাত্রি যেমন দিনের বুকে

কম হাঁটা পথ


---
আমি একটা নির্লিঙ্গ প্রেম খুঁজছি
বিছানায় আলকুশি ছড়িয়ে

এত অহংকার আমার

জল ভরতে গিয়েছিলাম একা
   কাজের জল, স্নানের জল, পানের জল

তুমি আলাদা করোনি
      আমি করেছি

যেমন সপ্তর্ষিমণ্ডল নাম দিয়ে
   ওদের অন্য তারাদের থেকে আলাদা করেছি

এত অহংকার আমার

জয় হোক

ভাষার জঙ্গলে বিভ্রান্ত বুদ্ধি
   বসল চিরবহমান হৃদি-নদীর তীরে
 শ্রান্ত মন শান্ত হল
     ভিতরে কে গায়?
         সমস্ত প্রাণ উজাড় করে নামল জলে
    তখন সান্ধ্যসূর্য সদ্য নেমেছে ঝোঁপের আড়ালে
     তিরতির করে কাঁপছে ঝাউপাতার ঝালর

সুরের আলো

সকাল থেকে সুরের আলো
   শুদ্ধ গন্ধে গা ভাসানো
গঙ্গার স্রোতে দু'পারের ডাক
   জলের স্রোতে কাল গলানো

বুকের মধ্যে ছলছল জল
  সবই কেমন আপন যেন
  ফুচকার মত বুক ফাটিয়ে
     সর্বগ্রাসী প্রেম ঢোকানো

চিন্তা

সুতোর পরে সুতো জোড়া
তাতে হরেক রকম রঙ করা
একটু এদিক ওদিক হলে
সুতোর বাঁধন যাবে খুলে

সেই সুতোতেই ঘর বানানো
রঙ মিলিয়ে রঙ সাজানো
সুতোর ভাষায় সুতোর টান
লক্ষ সুতোয় বাঁধছে প্রাণ

সুতোর খেই যেই হারালে
চেনা জগৎ সেই খোয়ালে
সুতোর মালিক যদি চান
সব সুতোরই নাগাল পান

Subscribe to কবিতা