Skip to main content

সরাসরি

আমি কারোর মাধ্যমে কিছু চাইনি কোনোদিন

ভালোবাসাকে চেয়েছি ভালোবাসার জন্যই
ঈশ্বরকে চেয়েছি ঈশ্বরের জন্যই

তাই আমার দরজায় সেজে আসতে হয়নি
                  কাউকে কখনো কোনোদিন
যে এসেছে, সে সহজ বেশেই এসেছে সহজেই

ধরা-অধরা

তুমি হয়ো না সহজলভ্য
    থেকো না হাতের নাগাল
তাহলে আমার মন বলবে,

আছে

চৌকাঠ পেরোও
রাস্তা আছে
হাত বাড়াও
হাত আছে
শ্বাস নাও
বাতাস আছে
কণ্ঠ ছাড়ো
শ্রবণ আছে
দু'হাত মেলো
আকাশ আছে
স্বপ্ন বোনো
লড়াই আছে
সামনে তাকাও
আশা আছে

স্বপ্নাতীত

কে ডেকেছিল?
কার ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম?
আমার সাথে কার যেন দেখা হয়েছিল। ঠিক কদিন আগে?
আমার হঠাৎ ভাঙা ঘুম পায়ের তলায় মাটি না পেয়ে
অভ্যাসের ডাঙা খোঁজে। হাতড়িয়ে বেড়ায় এর ওর মুখ।
পরিচয় ছিল তো একটা আমার -
বুকে, মাথায় করে টাঙিয়ে নিয়ে ফিরেছি সে অহং
       দীনতার ছদ্মবেশের আড়ালে

করবী

আমার আনমনা শরীরে তুমি হাত রেখেছিলে
একটা করবী বৃন্তচ্যুত হয়েছিল সেই মুহুর্তে

প্রান্তিক

রাস্তা বুঝি শুধু স্মৃতিরই আছে?

গল্প না তো!

একটা ছেলে ছিল। এটা গল্প নয়।
ছেলেটার একটা হৃদয় ছিল। এটা কবিতা নয়।
ছেলেটার একটা বাড়ি ছিল। এটা উপন্যাস নয়।
ছেলেটা ভালোবাসায় বিশ্বাস করত। এটা মহাপুরুষের বাণী নয়।

হঠাৎ একদিন সব হারিয়ে গেল। এটা ইতিহাস নয়।
শুধু ছেলেটা হারালো না। এটা অলৌকিকতা নয়।
ছেলেটা এখন মাটি খুঁড়ে শিকড় খুঁজছে। এটা ভুগোল নয়।

স্বামীজি

বললে
তোমার ভিতরের সুপ্ত দেবত্বকে জাগাও

তাকালাম অন্তরে, বললাম
      ঘন অন্ধকার। আলো কই?

ভেলভেট পোকা

ঘাসের উপর সুরের চাদর বিছিয়ে গেল
হলুদ ঘাসগুলো সারাগায়ে ধুলো মেখে

একা

অন্যজনের কথা কেন বলবে?
এসো। একা বসে কটা কথা একা একা বলো।
ওরা পাগল বলবে? বলুক।
ওরাও একা একাই বলবে তুমি না শুনলে।

Subscribe to কবিতা