Skip to main content

'৪৭ এর মুরাদেরা

        মুরাদের নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পর থেকে অনেক পোস্ট দেখলাম। অনেকগুলো সাক্ষাৎকার যা আগে শুনেছি কয়েকটা, লাস্ট গার্ল বেরোনোর সময় বিশেষ করে। রিভিউও পড়েছিলাম বইটার। কিন্তু বইটা পড়ে ওঠা হয়নি। কিন্ডল-এ আছে, কিন্তু সাহস পাইনি পড়ার। একটা নিশ্চিত জীবনযাপনের মধ্যে বসে অমন একট

একজন অত্যন্ত প্রাণচঞ্চল বাচ্চা মেয়ে আমাদের কলকাতার বুকে মৃত্যুর সাথে লড়ছে

        একজন অত্যন্ত প্রাণচঞ্চল বাচ্চা মেয়ে আমাদের কলকাতার বুকে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। বাবা মা তার গলার নলি কেটে তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে নিজেরাও সরে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু নিজেরা এখন বিপদসীমার বাইরে। বাচ্চাটা ঘোর সংকটে। সে সংকটে তো তার শরীরটা। তার যদি চিন্তা করার ক্ষমতা থাকত

ভাবছি দেশে আর না জানি কি বিটকেল সব আইন আছে

ভাবছি দেশে আর না জানি কি বিটকেল সব আইন আছে। এ অনেকটা মহালয়ার আগে ঘর ঝাড়ার মত হচ্ছে। তা বেশ, আচ্ছা ইয়ে করে হাতমাটি না করা নিয়েও কি আইন বানিয়েছিল ওই লালমুখো গুলোন? কিম্বা তরকারিতে নুন কম হলে? কিম্বা যীশুর নামে রোববার করে নৈবেদ্যে না দিলে ইত্যাদি ইত্যাদি...

সুপ্রিমকোর্ট পরকীয়াকে বৈধ ঘোষণা করেনি

        সুপ্রিমকোর্ট পরকীয়াকে বৈধ ঘোষণা করেনি। শুধু শাস্তির আইনি ব্যবস্থাটা তুলে নিয়েছে। তা বাপু আর কদ্দিন পুলিশের ভয়ে নীতিবান থাকবে? নীতিগতভাবেও তো সাবালক হতে হবে নাকি?

তোমরা কারা?

       অবশেষে প্যাডে মাসিকের রক্তের দাগে শারদীয়া উৎসবের অভিবাদন জানাতে হচ্ছে! 
       আমার ভয় হচ্ছে, নারীরা কি ভুলতে চলেছে তাদের জননতন্ত্র ছাড়া একটা মস্তিষ্ক নামক অঙ্গও আছে। এ দেশে আশাপূর্ণাদেবী থেকে মাতঙ্গিনী নামক অনেক শ্রদ্ধেয়া মস্তিষ্ক জন্মেছিলেন। আজও কান পাতলে তাদের কণ্ঠস্বর কানে শুনি। তোমরা কারা?
 

 বারো বছরের মেয়েটা

বারো বছরের মেয়েটা গর্ভবতীই হয়ে গেল। রাম রহিম খ্রাইষ্ট, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য কালচার, নানা ইজম, কি নেই আমাদের দেশে। কত বড় বড় রথীমহারথী, কিচ্ছুটির অভাব নেই গো। ব্রত উপবাস, মহরম, বড়দিন, স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, কত উৎসব।

আসলে সব কিছু এখন চন্দ্রিল জানে


আসলে সব কিছু এখন চন্দ্রিল জানে
ভালো-খারাপ মিশেল লেখা চালাতেন যে কবিগুরু, 
সে কথাটাও সে-ই জানে
মস্তিষ্কহীন রাক্ষুসে জনতার হাততালি -
কাকে যে কখন কোন তালে নাচায়
সেই কথাটা কে-ই বা জানে!

আমি কারোর কথা বলছি না, নিজের কথা বলছি


        মেয়েটার মুখে হাঁটুর গুঁতো, চড়, কিল, লাথি। দেখলাম। তাজা খবর, লাইভের মত, দেখতেই হয়। 
        এখনও ধর্ষণগুলো লাইভ হয়ে ওঠেনি সামাজিক মাধ্যমে। হয়ত আগামী দিনে তাও দেখব। 

প্যাটেল - বসু উপাখ্যান

হার্দিক প্যাটেল মধ্যপথে অনশন ভাঙিল। কোন সুজাতা পরমান্ন লইয়া আসিয়া ছিল জানা নাই। ইনি আবার 'মধ্যপথে'ও আস্থা রাখেন না। রাজনীতির কেহই রাখে না অবশ্য। নানাপ্রকার ছল-কৌশলই পাথেয় রূপে যথেষ্ট। নিন্দুক আবার কহিয়াছে ইনি গোপনে ক্ষুধাসুরকে নৈবেদ্যও অর্পণ করিয়েছেন। সে নিন্দুকের কথা থাক। কথা হইল, পথের অভিমুখ কি জন-উদ্দেশ্য-সিদ্ধিতে না আত্মসিদ্ধিতে?

ওটা কিসের লোগো,

        গুগুলের পেজটায় দেখেছেন? ওটা কিসের লোগো, অসভ্য! ওই যে গো ওদের, হোমো না কি যেন বলে না? ম্যাগো! 
Subscribe to হাল হকিকৎ