Skip to main content

অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড

একবার হল কি ওশোর যৌনতার উপরে লেখা একটা বই নিয়ে একজন বরিষ্ঠ জ্ঞানীগুণী মানুষ, খুব সম্ভবত মোরারজী দেশাই মন্তব্য করেন, খুব অশালীন বই ইত্যাদি ইত্যাদি। ওশোকে জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনার এই বিষয়ে কি বক্তব্য।

ভ্যাক্সিন পর্ব

আমি যখন ভ্যাক্সিন নিচ্ছি তখন জানলার বাইরে বসন্ত ফাইল হ্যাণ্ডওভার করছে গ্রীষ্মের কাছে। এরই মধ্যে করোনার দ্বিতীয় পর্বের দামামা বেজে গেছে। রবীন্দ্রনাথ গ্রীষ্মকে মৌনতাপস বলেছেন, মানে বৈশাখকে। আমাদেরও তপস্যার সময় এসেছে। গতকালই একটা তিরিশ বছরের ছেলে হাস্পাতালে বেড না পেয়ে মুম্বাইতে মারা গেছে, অবশেষে কয়েক ঘন্টার জন্য পেয়েছিল যদিও। আমাদের আরো সাবধান হতে হবে। এই যুদ্ধে যার যতট

কেউ বলবে না

"ন্যাকামি করবেন না"।

    মজার কথা হচ্ছে, কেউ কিন্তু উঠে গেলেন না। কেউ বললেন না, আপনি এই শব্দটার জন্য ক্ষমা না চাইলে অনুষ্ঠানটা আর একরত্তিও এগোবে না। একজন জিভ কেটে পাশে বসে হাসলেন। বাকিদের অভিব্যক্তি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি।

কনফিউজড

তো কৃষ্ণ যখন অর্জুনকে বললেন, কি বললেন? কৃষ্ণ বললেন, এই জ্ঞান আমি অমুক অমুককে আগে দিয়েছি। এই এখন তোমায় বলছি। 

    অর্জুন মেলা কনফিউজড, মানেটা কি? তিনি তখন কৃষ্ণকে বললেন, তোমার জন্ম তো এই সেদিন, আর যাদের কথা বলছ তারা তো কবে জন্মেছে... মানেটা কি?

অন্ধভক্তি আর অন্ধবিদ্বেষ

কথাগুলো অনুকূল চন্দ্রের। ইদানীং প্রধানমন্ত্রী থেকে শুভেন্দুবাবু থেকে থেকেই ওনার নাম করছেন, অবশ্যই ওনার বৃহৎসংখ্যক ভক্তসমাজের ভোটের দিকে তাকিয়ে। কিন্তু কথা হল, উনি এই কথাগুলো, মানে এরকম কথা উনি অনেকবার বলেছেন। ভীষণ স্পষ্টভাবে বলেছেন। এ কথা কি তেনাদের হজম হবে?

পাখিটা মরে না

পার্থক্য শুরু হয় পেন্সিল বক্স আর টিফিন বক্সের মান থেকে। তারপর টিফিন বক্সের ভিতর খাদ্যের মান, প্রকারভেদ থেকে। তারপর ইউনিফর্ম হলে কাপড়ের মান থেকে। সাইকেলের মান থেকে, বেল্টের মান থেকে।

ধর্ম আর আগুন

তিনি কয়েকদিন হল দল পরিবর্তন করেছেন। এবং হিসাব মত যে দলে গেলেন, সে দলে যে সুরটা বাদী সেই সুরে নিজের কথাকেও বাঁধতে সচেষ্ট হয়েছেন। কথা হল সেই দলের প্রধান সুর হল ধর্ম। তো ইনিও ধর্মের সুরেই কথা বলছেন। সে তো বলতেই হবে, সেখানে গোলমাল কিছু নেই। তিনি তো আর হঠাৎ করে কোন রাজ্যে কতদিন ধরে কত মহিলা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ জানিয়ে যাচ্ছেন চাষাবাদ নীতি নিয়ে সে কথা তুলবেন না, এতো বোঝা

ভ্যাক্সিন

ভ্যাক্সিন নিয়ে আমাদের মনে নানা ভয়, সংশয়। পোলিও ভ্যাক্সিন নিয়ে যখন স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামে গ্রামে যেতেন তখন তাদের অনেকের মুখে শুনেছি, অনেক লেখায় পড়েছি যে কি হেনস্থার শিকার হতে হত তাদের। অনেক গ্রামে একদম নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল তাদের প্রবেশ। শারীরিক নির্যাতনের অবধি উদাহরণ আছে। তখন নিজেকে বেশ শিক্ষিত ভাবতাম। নিজের শিক্ষা নিয়ে গর্ব বোধও করতাম। এখন দেখছি এটা ঠিক শিক্ষা বা

Don't raise issues man

Don't raise issues man! We least bother all those bullshit...

সবাই কি আর জিনিয়াস

মানুষ অভিনয় করতে না শিখলে শুধু কি আর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি উবে যেত? 

ধর্ম, সমাজ, শিক্ষা, রাজনীতি.... কিছুই টিকত না বৃহদাকারে.....

আরে কত্তা সবাই কি আর জিনিয়াস?.... আবেগ কই... তাই তো গ্লিসাসিরনের ডাক পড়ে বেশি.... মহৎস্বার্থে না হলেও, বৃহৎ স্বার্থে তো বটেই.... জয়গুরু..

Subscribe to হাল হকিকৎ