Skip to main content

বল জয় হরি

সারাদিন ভাবিস আমি শুয়ে বসে থাকি
তোরাই যত কাজ করিস, আমি দিই ফাঁকি
কত কি যে ভাবি আমি 
                    রাতদিন শুয়ে
কত তত্ত্ব, কত কথা, 
                     মনে আসে ছেয়ে
মেঘ হয়ে সে কথারা করে গড়গড়
বৃষ্টি হয়ে মাথার মধ্যে নামে ঝরঝর

হামিটামি বন্ধ

কাল ছিল ভরা মাথা
  আজ কোথা গেল ওরে
বল দেখি তোরা ব্যাটা
  চুল কই গেল
...

পণ (কোরোনা সংস্করণ)

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি।
সারাদিন আমি যেন হাত ধুয়ে চলি।।
আদেশ করেন যাহা কর্মকর্তা জনে।
আমি যেন করি তাহা রহি গৃহকোণে।।
ভাইবোন সকলেরে যেন ভালোবাসি।
দূরত্ব রাখিয়া যেন করি
...

আর কি ভুলি!

মেরুদণ্ডের জোরের অভাব 
গলার জোরে মেটাতে চাও
কুশলীবাক্য, মিষ্টি হাসি
...

জিলিপি ভাণ্ড

আনিলাম জিলিপি ভাণ্ড
মধুসূদন দাদা হতে মাগি
...

হুলো কাঠবেড়ালি উপাখ্যান

কাঠবেড়ালি, দুই ছানা তার
কার্নিশ বেয়ে ঘোরে চারিধার
ঘুরতে ঘুরতে ধারে এসে থামে
লাফ দিয়ে মা পাঁচিলেতে নামে
বড় ছানা দড়, সেও দিল লাফ
ছোটো ভয়ে বলে করো মোরে মাপ!

মা ফের ওঠে দিয়ে ঝাঁপ কষে
ছোটোরে গুঁতায়, নাম বাছা নীচে
ছোটো পিছু হটে ছাদে গিয়ে ছোটে
মা-ও ল্যাজ তুলে ছোটে পিছে পিছে

ব্যামো...

তোমার চোখ সাঁতরে পাড় খুঁজছি
পা কামড়ালো তোমার হৃদি কুমীরে
তবুও পার পেতাম হয়ত তো
চুমুর ঘুর্ণী ডোবালো ঘোর তিমিরে
...

খুকু

খুকু গেল নীলচলে সাথে ডলিরাণী
খুকু বলে খাবো তিমি দেনা মা আনি
মা বলেন, খায় নারে মা, বিঁধবে গলায় কাঁটা
...

তা না নানা, তা না নানা

তা না নানা, তা না নানা
বাজি দেব, বোম দেব
নতুন জুতো দেব, প্যাণ্ট দেব
বেল্টটা দেব জামাও দেব
দুগ্গার সিংহটাকে আমায় দে না
তা না নানা, তা না নানা

সব অঙ্ক কষে দেব,
সব ইতিহাস পড়ে নেব
পটল খাব, ঝিঙে খাব
শুক্তো, কুমড়ো তাও খাব
একটা কথা শোন না, শোন না
দুগ্গার সিংহটাকে ঘরে আন না
তা না নানা, তা না নানা

ছুটি

ক্যাপ ফাটালে একটু জোরে
সবাই কেমন আসে তেড়ে
বলে, ওরে কি দুষ্টু রে
নে তো ওর বন্দুক কেড়ে
দৌড়ে তখন মণ্ডপে যাই
দুগ্গা মায়ের মুখে তাকাই
দুগ্গার কেন মুখ নড়ে না?
ওকি বাংলা বলতে পারে না?
এতগুলো হাত কোলে তো নেয় না
একটা দিনও চুমুও দেয় না
কি রোজ শুধু মন্ত্র শোনে
অং বং ছং থাকে কি মনে?
নড়ে না চড়ে না খায় না দায় না

Subscribe to ছড়া