Skip to main content

দেখার সাথে


কোন দিকেতে তাকাই তোমার?

নাক-চোখ-ঠোঁট-হাত-পা?

না তো না
না গো না

তুমি আসলে দেখার সাথে
কি আসে আর?

আসে আসে আসে
জানি জানি জানি,
আসে জন্মান্তরের ব্যাথা!

তোমায় যেন পেয়েছি হাজারবার
তবু যেন হারিয়েছি তার বেশি
স্মৃতির আঁচড়ে চিনচিনে সে কথা।

বিষাদ


 
বিষাদ ততটাই গভীর হবে
যতটা তুমি চাও

বিষাদ ততটাই দীর্ঘ হবে
যতটা তুমি চাও

খুব গভীরে নেমো না
খুব দূর পথ হেঁটো না

বিষাদের মোহ
বিষাদের চেয়েও ভয়ংকর


(ছবিঃ সুমন দাস)

সবার শেষে


সবার শেষে একজন মানুষই দাঁড়িয়ে থাকে,
বিধ্বস্ত, শ্রান্ত,
তবু সামনের দিকে তাকিয়ে।

সবার শেষে কিছু বিশ্বাসের আত্মা আবার দেহ খোঁজে,
নতুন ধর্মে, নতুন মতে।

সবার শেষে কিছু নিহত ভালোবাসা তুষারপাত হয়ে ঝরে
নিঃসঙ্গতার অরণ্যে।

সবার শেষে কিছু কান্নার আওয়াজ সঙ্গীতের মূর্ছনা হয়ে ফেরে
কাল থেকে মহাকালে।

অপেক্ষা


ছেলেটা অঙ্কের খাতার শেষ পাতা খুঁজে চলেছে
                                             সকাল থেকে

আবর্ত


শত্রুপক্ষ কেউ নেই
যাঁরা আছেন তাঁরা
               বিপরীতপক্ষ

আর আছেন কেউ কেউ মাঝে
               নিরপেক্ষ

এরই মধ্যে!


এই মাত্র যে গুছিয়ে গেলাম!
কি হল সব?
এরই মধ্যে ছড়িয়ে গেল?

এমনই হয়
রোজই হয়
রোজই ভাবি, আর না
থাক যা কিছু
যেমন আছে পড়ে।

হয় না যে,
আবার আসি
অহংকারে
গুছিয়ে নিতে 
সব কিছু ফের
নিজের মত করে।

অসময়ে


বাতাস আগুন জ্বালে না
দু'হাত আলোর মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে
আলো হাতে ধরা দেয় না
চোখদুটোতে কালো কাজল
চোখের জলে ধুয়েও ধুলে না
ভিজে পায়ে ধুলো পথে হেঁটে
পথের ধুলো আনলে ঘরে
সারাটা দিন আগলটাকে
আঁচলে বেঁধে বেড়ালে
সরালেও না, রাখলেও না
ভোরের আকাশে শুকতারা,
সন্ধ্যাতারাকে চিনবে বলে
সারাটা দিন সূর্য্যকে গায়ে মাখলে না

হ্যাঁ-না


জেনেছি
জানি না

বুঝেছি
বুঝি না

মেনেছি
নেইও, আছেও

হারিয়েছি
ছায়াতে ছায়া

যা আছে
তাই আছে

যা নেই
তা নেই

আমি নেই
আমি আছি

ভালো আছি



----
তবু ভাল আছি তো

জানি কেউ কেউ বিশ্বাস করে না

আয়না, মাথার বালিশ, আর নির্জন সন্ধ্যে


----
জানি তুমিও ভাল আছ

তবু কেউ কেউ বিশ্বাস করে না

আমার হৃদয়, তোমার চোখ, আর রাতের আকাশ

কি?


সত্য কি?
কে জানে?
কে বোঝে?

নিশ্চুপ সব

সত্য কি ভিতরে?
অনুভবে?
সত্যি কি বাইরে?
যুক্তিতে?

যে খোঁজে
সে বোঝে
যে বোঝে
সে কই?

সে মিলিয়ে গেছে
রোদে জলে বাতাসে আকাশে

Subscribe to কবিতা