Skip to main content

রাত


সব রাত সমান নয়
কিছু রাত ঘুমকে ঘুম পাড়িয়ে
বুকের উপর স্লেট পেনসিল নিয়ে বসে
কিছু না মেলা হিসাব মেলাবার জেদ ধরে,
মেলে কি?
সারারাত হিজিবিজি কেটে
ভোরের বেলা ক্লান্ত দেহে যায় ফিরে
রেখে যায় কিছু বিষন্ন চকের দাগ
       না ঘুমানো আরক্ত চোখের কোণে

ভাইফোঁটা

ফেসবুকে জুড়ে আছো যত দিদি বোন
কপালটা পেতে আছি, মন দিয়ে শোন
পড়ুক না পড়ুক কাঁটা যমের দুয়ারে
আমার কপালে তোর আঙুল ছোঁয়ারে
ভাই বল, দাদা বল, যা খুশী তা বল
প্রাণের প্রার্থনা এই, সুখে পথ চল

এসো


সকাল থেকে অনেকবার হাত থেকে এটা ওটা পড়েছে, 
(ফেলেছি? না না, কক্ষণো না)

এবার তো এসো!

আমার জন্য না হোক
অন্তত প্রাচীন প্রবাদটাকে সত্যি করতে এসো, থাকুক ওর মান

তবু এসো

মন্থন


এখনো মন্থন চলছে
এখনো বেরোচ্ছে পেঁজা পেঁজা বিষ

এখনো মন্থন চলছে
এখনো অপেক্ষায় আছি অমৃতের

অমৃত আসবে, না হলে-
এত হলাহল রয়ে যাবে নিরুত্তর

তা হয় না

অনুরোধ


পথে নেমেছি
হাতের মুঠোয় নিয়েছি কয়েকটা বীজ
ছড়াতে ছড়াতে যাচ্ছি রাস্তার দু'ধারে
ওরা গাছ হবে - আশা রাখি
যে তুমি আসছ আমার পরে
       তোমার জন্য রাখলাম ক'টা গাছ
              ওরা ছায়া দেবে তোমায়

ভাব দরিয়া


যার আগু পিছু ভাবা আছে
তার কি প্রেমে মন মজেছে?
সে তো মহাজনীর কারবারী ভাই
ভাবের ঘরে সিঁদ চালায়

যে জন হিসাব কিতাব ভুলতে পারে
সে ভাবের হাওয়া চিনতে পারে
এক ঠাঁয়েতেই বসে বসে
ভাব দরিয়ায় নাও চালায়

না চাইতেই


না চাইতেই কি এসে পড়িনি সবার ভীড়ে
                      হঠাৎ করে?
না চাইতেই কি দু'হাতে পাইনি অনেক কিছু
                      গভীর করে?

সোজা সাপটা


সত্যে মিথ্যায়
আলোতে আঁধারে
   জড়ানো চিরটাকাল
ছিল, আছে, থাকবেও

কিছু মানুষ চীৎকার করে ধূলো উড়াবে
বিভ্রান্ত করবে 
    তাদের আছে উদ্দেশ্যের দায়
এরাও আছে চিরটাকাল, থাকবেও

ব্যর্থ


বীজটাকে হাতে করেই বেড়ালো
না নিজে মিশল বীজে
না বীজকে মেশালো নিজেতে

না জন্মাল গাছ
না ফুটল ফুল
না ধরল ফল

শুকনো বীজের খোসা হাওয়ায় উড়ছে
সে খোসাগুলোর নাম দিয়ে দিয়ে
            রাখছে গুদোম ঘরে জমিয়ে

যেন খোসা থেকেই জন্মাবে গাছ

ফুলকি


ছেলের গোত্র কি?
মেয়ের?

এ বাবা!

এ গোত্র চলে না যে!

নমো শুদ্দুরের সাথে বামুন!
আরে মিত্তিররা কি গোত্রের হয়?
কি বললেন?
আর, পাল? কর্মকার? 
আরে শুনতে পাচ্ছি না যে....

Subscribe to কবিতা