Skip to main content

তুমি আছ বলে

তুমি আছ বলে আমি গাইলে বড়ে গুলাম
তুমি আছ বলে আমার তুলিতে ভ্যান গঘ
তুমি আছ বলে আমার শিসেতে হরিপ্রসাদ

তুমি আছ বলে কাঞ্চনজঙ্ঘা চিলেকোঠায়
তুমি আছ বলে লাইটপোস্টে কুতুবমিনার
তুমি আছ বলে রেশন দোকান তাজমহল

ডানা

আমি বহুবার চেষ্টা করলাম জানো
    বহুবার।
আমার অন্তত একটা ডানা কেটে 
  তোমার তৈরি এত দামী খাঁচার সাথে
  এক্কেবারে মানিয়ে গিয়ে -

দুই রূপেই

জেগে ছিলাম
নদীটাও জেগেছিল
সারারাত জেগে আমরা দুজনে
পাড় ভাঙার আওয়াজ শুনছিলাম

ভোরে উঠে দেখি
মুখ থুবড়ে পড়া নীড়ের পাশে
মাটিতে লুটিয়ে চোখ না ফোটা পাখি

আসবে বলো?

মন খারাপের অন্ধকারে
অন্ধ বাউল একতারাতে
     কি বাজালো?

সিঁড়ি গিয়েছে তেপান্তরে
মেঘের মধ্যে বসত করে
     চিনতে পারো?

থুড়ি, শ্রমজীবী

বুদ্ধিজীবী তো সেও
   যে জানে কোন জুতোতে কোন সেলাই হয় না

বুদ্ধিজীবী তো সেও
  যে পোকা দেখলেই কোন ফসলের শত্রু ওটা চিনতে পারে

সেতু

কয়েক টুকরো ভালোবাসা দিও
   বাকিটা আমি জুড়িয়ে জুড়িয়ে নেবো

নিরবচ্ছিন্ন যা, তা তো মরণ!
   বালাইষাট, প্রেম চাইতে মরণ চাইব নাকি!

গরহাজির

আজ সারাটা দিন হোক আমায় ছাড়া,
ডেকো না,
আমার অলস ভোরের বিছানা ছাড়ছে না গতকাল।

মর্ম

মর্মে যদি হলি কানা
কালো অক্ষরে কি দেখবি আলো?
দ্বন্দ্ব যুদ্ধ বাধিয়ে মরিস
জগত জোড়া করলি কালো

মর্মে গিয়ে মর্ম জাগা
সে জন মর্মে আছে মিশ খেয়ে
মর্ম ছাড়া ধর্ম কথা
যেন বোবা উঠেছে গান গেয়ে

আচমকা

    স্মৃতিরা আসা যাওয়া করছে
     উদ্বিগ্ন 
  মুখ চাইছে এর-ওর
    কারোর কারোর ঠোঁটও কাঁপছে 

সে-ই সে

শিশিরে পা পড়লে ঠাণ্ডা অনুভূতিই হয়েছে
বৈশাখে খালি পা তপ্ত বালিতে পড়লে
       গরম-ই অনুভব হয়েছে

Subscribe to কবিতা