নিজেকে বাঁচান ঈশ্বর
আপনি আমার একটা একটা ভালোবাসার মুখে নুন দিয়েছেন শান্ত মস্তিষ্কে
ঈশ্বর
আপনি আমার প্রতিবেশীর আর আমার বাড়ির মাঝে পাঁচিল তুলেছেন
ঈশ্বর
আপনি জীবাণুর মত সংক্রামিত হয়ে অগুনতি মস্তিষ্কের পুষ্টিরসকে চুষে চুষে খেয়ে চলেছেন
ঈশ্বর
বাকি সব বোগাস
হাওড়া স্টেশান ছেড়ে ট্রেনটা যখন বেরোয় রাত্তিরবেলা কি সন্ধ্যেবেলা, ওই হলুদ হলুদ, কমলা কমলা আলোগুলো দেখলে আমার ভীষণ মন খারাপ করত ছোটোবেলায়।
এখন করে না।
চেকমেট
চলাচলের রাস্তা
পরিচিত তো দুই হাতের কড় পেরিয়েও অনেক
আহ্নিকগতি বার্ষিকগতিতে
বাজেট-উৎসব-হাসপাতাল-প্রেম-ঈর্ষা
সবই খাপেখাপে
দুরত্ব
১
==
তুমি বললে তাই অভ্যাস করলাম
তুমি বললে তাই অভ্যাস ছাড়লাম
আবার নতুন কিছু বলো
অভ্যাস ধরা-ছাড়ার অভ্যাস হল যে!
আমি জানি
উঠে আসছিলাম
সবার অলক্ষ্যেই
ভাবছিলাম খেয়াল করোনি হয়ত
দরজা অবধি এসে মনে হল
ডাকলে?
কে বলবে?
পর্দাটা উড়ছে
লোকটা পিছন ফিরে
তার বোধের অস্তিত্বের বাইরে উড়ছে
তাই বুঝছে না,
জানলাটা বাইরের আলোয় চোখ মেলেছে
ছেলেটা একটা নুড়ি ছুঁড়ল পুকুরে
টুপ্ করে ডুবে গেল জলকে চমকে
আমি
আমার ভয় করে
আমি নিজে তো কিছু স্থির নির্দিষ্ট নই
এক বিন্দু জলের মত
মেঘ পিছলে আকাশ থেকে পড়ছি
পড়ছি পড়ছি পড়ছি
আমার কোনো আকার নেই গন্তব্য নেই
যদি বিশ্বাস করো
তুমি জানো না
আমাতে তোমার অনুভব, আর-
আমার বেছে আনা শব্দগুলোর মাঝে কতটা ব্যবধান
আমি পরিমাপ তো জানি না
শুধু জানি
ঝিনুকের বুকে বসা মুক্তো
সমুদ্রের গভীরতা নিয়ে মাথা ঘামায় না
গুণমুগ্ধ
"ভীষণ সুন্দর গাইলেন, কি তান! কি মীড়ের মূর্ছনা!"
গায়ক প্রফুল্ল হলেন। গর্বিত দৃষ্টিতে চাইলেন প্রশংসকের দিকে।
বুঝুন
একটু দাঁড়ান। মিছিলটা পার হোক।
ওদের খিদের দাম আপনার সময়ের দামের থেকে বেশি