Skip to main content

বুঝতে পারলাম না


বৃন্ত থেকে ঝরে যেতে যেতে
    ফুলটা কি যেন বলে গেল

বুঝতে পারলাম না

ভাবতে ভাবতে ক্রমশ গাছ হলাম 
কুঁড়ি ধরল। ফুল হল। ঝরে পড়ল।

বিনাবাক্যে ঝরে পড়ল
কেন,
   কিছু বুঝতে পারলাম না

অপেক্ষায় থাকছি

আমি কখনও ত্রিভুজ
       কখনও চতুর্ভুজ
       কখনও বৃত্তের
           ভিতর দিয়ে বাইরে তাকাচ্ছি

ফেরিওয়ালা

দোকানগুলোর ঝাঁপ ফেলা
অসম্ভব গরম
রাস্তাঘাট শুনশান
একটা ফেরিওয়ালার ডাক শুনতে পাচ্ছি বহুদূর থেকে 
অনেকক্ষণ ধরে 
ভাবলাম
   সে হয়ত ডাকতে ডাকতে এদিকেই আসবে
অপেক্ষা করতে করতে ঝিমুনি এসে গেল
 গ্লাস পড়ে যাওয়ার আকস্মিক আওয়াজে চোখ খুললাম

তুমি অর্থ খুঁজলে


তুমি অর্থ খুঁজলে
আমি খুঁজলাম অনুভব

তুমি মিথ্যা নিলে
আমি নিলাম সত্য

তুমি দোপাটি লাগালে
আমি লাগালাম গম

তুমি সমুদ্রে ঘুরতে গেলে
আমি বেড়াতে গেলাম জঙ্গলে

তুমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে নদীকে বললে, এবার? 
আমি উদাস হয়ে আকাশকে বললাম, ধুর

ওরা প্রতিবাদ করবে না


তুমি একটা কফিনে 
আরো কয়েকটা মৃতদেহ রাখতে পারো
অথবা কিছু মৃতদেহ
    আধপোড়া করে নদীর চরে ফেলে রাখতে পারো

মৃতদেহরা প্রতিবাদ করবে না

কোরাস


যদি রাস্তার এক ধারে দাঁড়িয়ে থাকো
দেখবে ব্যস্ততার একটা ছন্দ আছে
সব মানুষের হাঁটার, হাত দোলানোর, চাহনির, মাথা নাড়ার একটা নিজস্ব ছন্দ আছে
তুমি সব মিলিয়ে একটা সিম্ফনি বলতে পারো
   অথবা কোরাস

প্রতিটা আঙুল দেখো, প্রতিটা উচ্চারণ শোনো
  প্রতিটা মুখভঙ্গি দেখো
     কোথাও তোমার সাথে মিল আছে

টালি


ছাদের ফাটা টালি ক'টা সারানো হয়নি
   জ্যোৎস্না ঘরোয়া
         বৃষ্টি নয় তো!
ফাটা টালির ফাঁক দিয়ে নেমে আসা জ্যোৎস্না
      বিন্দুমাত্র ইতস্তত না করে
চৌকি, জামা-কাপড়ের স্তূপ, ঠাণ্ডা মাটির উনুন

Noise


কিছু শব্দ শব্দহীনও হয়
তুমি শব্দহীন শব্দ নিয়ে শব্দ তুললে

বললে, প্রতিবাদ

আমি উড়ে যাওয়া বকের দল দেখলাম 
      আকাশকে আকাশ রেখেই

অসংজ্ঞ


চেয়েছিলাম বনানী বীথিকা
হল কই?
একটা গাছের সব কটা পাতা গোনার ধৈর্য নেই
তুমি আমায় জীবনের মানে জিজ্ঞাসা করো? 
শরীর মনের স্রোতে জাল ফেলেছি মাঝে মাঝে
পাঁক উঠেছে, শূন্য খোল ঝিনুক উঠেছে
  কখনও কয়েকটা সাধারণ মুক্তোও উঠেছে হয় তো
আবার ভাসিয়ে দিয়েছি স্রোতে,

Subscribe to কবিতা