Skip to main content

এক মুঠো সুখ নিয়ে

ভালোবাসার মানুষটাকে ভুলতে পটলা কি না করল। আরো ভালো করে বললে, ব্যর্থ,

বিন্দু

চিঠি হাতে আসার আগেই বৃষ্টির জলে ভিজে গেল। সব লেখা মুছে গেছে। পোস্টকার্ডের হলুদ রঙটা পর্যন্ত বদলে গেছে। ঠিকানা লিখে পাঠিয়েছিল। যে ঠিকানায় চিঠি পাঠাবার কথা ছিল তার। সে ঠিকানাই গেল হারিয়ে।

সেজে এলো আমের পল্লব

বামুনদের বাগানে কাকভোরে যখন নাপিতদের নধর ছাগলটা ঢুকলো, কেউ খেয়াল করেনি। প্রমাদ গুনেছিল লতাগাছটা

মন্দিরের সামনে সেপাই

মন্দিরের সামনে সেপাইয়ের দল। পাগল জিজ্ঞাসা করল, তোমরা এখানে কেন গা?

হালখাতা

বাবার লটারীর দোকানে বসে আছে তিন্নি। সে ক্লাস টু-তে পড়ে। বাবার দোকানে হালখাতা করতে কেউ আসে না। রাস্তায় প্রচুর ভিড়। সবাই কি সুন্দর সুন্দর সেজে রাস্তায় বেরিয়েছে। বাচ্চুকাকার সোনার দোকানে উপচে পড়ছে ভিড়। সরবত,

বাবা কি হিজবিজবিজ?

লালটু মিত্র ওরফে বুকাই, কালো হাফপ্যাণ্ট আর সবুজ টিশার্ট পরে ফ্ল্যাটের দরজায় দাঁড়িয়ে। গ্রাউণ্ডফ্লোরে ফ্ল্যাট। বাবা মা ঠাম্মিকে প্রণাম করতে ওল্ডেজ হোমে গেছে। সেও য

বিষফল

গভীর জঙ্গল। ভাঙা মন্দির। ক্লান্ত মানুষ। আদতে প্রেমিক। আদতে সে পালাতে চায়। আদতে সে হারাতে চায়। আদতে সে.... ভাঙা মন্দিরে পড়ল ঘুমিয়ে। তখন রাত। আকাশে তারা। ধরিত্রীতে অন্ধকার। দূরে কাছে, ইতিউতি পশুপাখির ডাক। ভয়। ভোর হল। মন্ত্রোচ্চারণ শুনে ঘুম ভাঙল। একমুখ দাড়ি, কয়েকদিন না খাওয়া ক্লান্ত অবসন্ন শরীর। কোনো রকমে চোখ তুলে তাকাতেই হাতে এলো চারটে বাতাসা।

আমায় নাও

তপেন দেওয়ালে ঠেস দিয়ে বসে। নার্সদিদি এসে জিজ্ঞাসা করল, কেমন আছ তপেন?

Subscribe to অনুগল্প
↑