Skip to main content

একমুঠো সুখ জন্মালো বুকে

একমুঠো সুখ জন্মালো বুকে
  সন্ধ্যের নীরব প্রার্থনা
  তখন দিগন্তে লিখছে অনন্তের বাণী
তোমার চোখে দেখলাম সে বাণীর অক্ষরমালা
 তুমি আমার, চিরকালের আমার
   আমার সিক্ত চোখে দেখো
             সাক্ষী অন্তর্যামী


(ছবিঃ জয়দীপ ঘোষ)

পাকচক্র

তুমি মোহঘূর্ণীর পাকচক্র নও। তুমি ভোগ্যও তো নও। নও তুমি ধুলোঝড়ের মত আচমকা আসা উত্তেজনা।

 তুমি আমার একমাত্র শান্তি-সরোবর


   আমার নগ্ন-আত্মার শেষ আশ্রয়স্থল
        আমার প্রেম -
            স্নিগ্ধ ভোরের শুকতারা

পূর্ণতা আর শূন্যতা

পূর্ণতা আর শূন্যতার মাঝামাঝি আমি
কখনো চেতনে, কখনো অচেতনে
সব রঙ মিলে সাদায়
   সাদা মিশে ধূসরতায়
তবু এ আমার অস্তিত্বের দিগন্ত
   সবটা সবুজ না হলেও
 এই আবর্তনের কেন্দ্রেই আমার আমি

 

নিত্য নতুন ফুল ফোটেনা

নিত্য নতুন ফুল ফোটেনা
          ফুল যা ফোটে একই
   দেখার চোখে নতুন রে সে
         সময় বলতে যা বুঝিস
              সেও মন না থাকলে ফাঁকি

একা দাঁড়ানোরও

একা দাঁড়ানোরও ছন্দ আছে
   কালের স্রোতে ভাসতে ভাসতে
      নিজের বুকেই দোসর যাচে

(ছবিঃ সমীরণ নন্দী)

মৃত্যু নিশ্চিত

মৃত্যু নিশ্চিত, জীবন অনিশ্চিত
   অনিশ্চিতকেই বুকে জড়ালাম
 মৃত্যু খুঁজে নেবে আমায় সময় হলেই
    জ্বলন্ত লাভার অদম্য ইচ্ছা-বীজ
                      বুকে বসালাম

আলগোছে কিছু সময় এসে পড়েছিল

আলগোছে কিছু সময় এসে পড়েছিল
হিসাবি আলমারির চাবি হেরে গেল
  ধুলোর পরে ধুলো জমে থাকা আলপনাও
          উড়িয়ে নিয়ে গেল দমকা হাওয়া

অথচ আমি ভেবেছিলাম,
           আমি তৈরী ছিলাম

পুরোনো বেণারসীর গায়ে

পুরোনো বেণারসীর গায়ে এখন শুধু ন্যাপথলিনের গন্ধ
চেনা কথাগুলোর শূন্য নীড়ে
  মড়া কাঠখড় ছড়ানো
    সিঁড়ির দরজাও বহুকাল আছে বন্ধ

তুমি সুন্দর

তুমি সুন্দর
তোমার দিকে তাকালে আমি সুন্দর

তাই ঝাঁপাই না
তাকিয়ে থাকি
   তাকিয়েই থাকি

হ্যাপি মাদার্স ডে নয় তো

আজ হ্যাপি মাদার্স ডে নয় তো আমার
মিথ্যা কথা ওসব তোমার,
  সে কি ছিল মাটির দূর্গা?
  যে একবার তারে দিয়ে বিসর্জন
    বলব, আসছে বছর আসছে আবার!

Subscribe to উপপত্র