Skip to main content

চাহিয়া দেখো রসের স্রোতে রঙের খেলাখানি

        গতকাল মধ্যরাত থেকে যে শুভেচ্ছা আর ভালোবাসার স্রোতে ভেসে চলেছি, তার জন্য নিজে কতটা যোগ্য সত্যিই জানি না। নীরেন্দ্রনাথ মহাশয় একবার বলেছিলেন, জীবনে এমন অনেক অপমান দুঃখ পেয়েছি যা হয়ত কাম্য ছিল না, কিন্তু অন্যদিকে এমন অনেক সুখ, ভালোবাসা পেয়েছি, তারও আমি যোগ্য ছিলাম

কিছু কিছু প্রাপ্তির পর চুপ হয়ে যাই

        কিছু কিছু প্রাপ্তির পর চুপ হয়ে যাই। কৃতজ্ঞতায়। এর যোগ্য কিনা সে প্রশ্ন করতেও সঙ্কোচ হয়।
        সুস্মিতার আঁকা এই ছবিটার ক্ষেত্রে আরো মুগ্ধ হলাম ওনার সৃষ্টির নিপুণতায়, আন্তরিকতায়। অভিভূত হলাম। এতটা দূর আমার বাড়ি এসে নিজের হাতে ছবিটা দিলেন, এও বড় কম প্রাপ্তি নয়। জানি না কি বলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করি। প্রার্থনা করি সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন, এমনই সৃষ্টিমগ্ন থাকুন।

কিশোরীদাস

        এখানে সেখানে কেন মনোনিবেশ মন, মনোনিবাস তোর হবে কবে?

এককালে আমার ছাত্র ছিল

এককালে আমার ছাত্র ছিল। এখন বন্ধু, খুব কাছের, আদরের আমার। একটা বেশ নামকরা মাল্টিন্যাশেনাল কোম্পানিতে কাজ করে এখন। আমায় খানিক আগে লিখে পাঠালো -

টিনের বাক্স

সরস্বতী প্রাইমারি স্কুল। আমার প্রাথমিক শিক্ষানিকেতন। আমি আর দিদি এক ক্লাস উঁচু নীচুতে পড়তাম। হাওড়ার সালকিয়ায় থাকি তখন। শ্রদ্ধেয় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের বাড়ির ঠিক সামনের গলিতে স্কুল। ভোরে উঠে জল বিস্কুট খেয়ে টিনের বাক্সে খাতা পেন বই নিয়ে হাঁটা দিতাম দিদির সাথে। আমরা যৌথ পরিবারে বড় হয়েছি।
...

দোল পূর্ণিমার নিশি নির্ম্মল আকাশ


        যদ্দূর মনে পড়ে জীবনে শোনা প্রথম ভাব জগতে ছবি আঁকা কবিতা শুনেছিলাম ঠাকুমার কণ্ঠে, প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, গুজিয়া সহযোগে –


"দোল পূর্ণিমার নিশি নির্ম্মল আকাশ।

বড় মামুর জন্মদিন


        বড় মামুর জন্মদিন। মায়ের সাথে ওর শেষ জন্মদিন। মায়ের এই একটাই ভিডিও আছে। খুব শখ ছিল মায়ের দৈনন্দিন রোজনামচা রেকর্ডিং করে রাখব, একান্ত ব্যক্তিগত সংগ্রহ করেই। হল না। মায়ের জন্য আমার কেনা সাধের শাড়িও মায়ের অন্তিম যাত্রায় আগুনে পুড়তে লেগেছিল। এমনই হতভাগ্য ছেলে আমি। 

মণিমার (Pratima Basu) সাথে আমার পরিচয় Sanhita র মাধ্যমে

মণিমার (Pratima Basu) সাথে আমার পরিচয় Sanhita র মাধ্যমে। সংহিতার মাইমা। সংহিতার সাথে পরিচয় ফেসবুকের মাধ্যমে। সংহিতার এক কথায় পরিচয় ভীষণ ভালো, স্নিগ্ধ একজন মানুষ। একটা দাবীহীন বন্ধুত্বের স্পর্শ সব সময় ওর কাছ থেকে পাই। বোলপুরে থাকে, খুব ভালো রবীন্দ্রনাথের গান গায়, ওর গলায় আমার খুবই ভালো লাগে। সহজ সরল গায়কী।

তখন আমি অনেক ছোটো


       (আজ সুমনের জন্মদিন। এই লেখাটা ওর জন্যেই, আমার ছোটোবেলার একটা টুকরো। এর থেকে বেশি নিজের আর কি দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব তাকে, আমার এই লেখালেখি যাবতীয় কিছুর মূলেই যার প্রেরণা-উৎপাত।)

অতি নৈকট্যের আড়াল

আজ একটা বড় অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। আমার এক বহু পূর্ব পরিচিত মানুষের সাথে কথা হচ্ছিল। তিনি মাকে বহুকাল আগে থেকে চিনতেন। তখন ওনার নিজের শ্বশুরবাড়িতে ভীষণ অশান্তি। মা নাকি কয়েক মাস ওনাকে অ্যাডজাস্ট করার কথা বলেন।
...
Subscribe to স্মৃতিকথন
↑