প্রবল
প্রতিটা ধর্মের নিজস্ব মেনুকার্ড আছে। তাই রসনার ধার বোধের ধারের থেকে প্রবল।
প্রতিটা ধর্মের নিজস্ব কিছু বিধান আছে। তাই অনুকরণের মোহ চিন্তার পূণ্যের থেকে প্রবল।
উল্টো ভাঁজ
লুঙ্গিটা পরা, তবে গিঁট দেওয়া নেই
বেড় দেওয়া কোমরের কাছে
একহাতে ধরা,
মনে হয় এক্ষুণি বেসামাল হবে
হয় না। ধরাই থাকে
একটা হাত ধরে থাকতে থাকতে বেঁকে গেছে ধনুকের মত
কেউ না
বিস্তীর্ণ প্রান্তর
নিস্তব্ধ।
পাখিদের আওয়াজ অবশ্য আছে
পাখিরা বিরক্ত করে না
রোদে পোড়া ঘাসের গন্ধ আসছে
বিকালবেলা। সূর্যডোবার দেরি খানিক আরো।
টুপ!
বাড়ির পাশেই একটা পুকুর থাক
মিছিমিছিই না হয় হল
তেতেপুড়ে যখন তখন নামা যায়
এমন দূরত্বেই থাক
তার জল সবুজ। ঘন সবুজ।
অপূর্ণ
কিসের টান?
যেন পাঁজরগুলো গুঁড়িয়ে যাবে এখনি
দূরের থেকে দেখলাম, তোমার ধ্যানমগ্ন মুখমণ্ডল
কি জ্যোতিতে উদ্ভাসিত, জানি না তো গো
সামনে গিয়ে দাঁড়াই সে সাহস নেই
যেদিক থেকে বাতাস বয়ে তোমার দিকে ছুটছে
ছাদ মাটি ভালোবাসা
ছাদের উপর দাঁড়ালে
বাড়ির পর বাড়ি
কারোর আধখোলা জানলা, কারো হা-পাট্টা
কোথাও টুকরো চলাফেরা, কোথাও টিভির ভিতর নির্বাক নড়চড়া
ঘোর
আমি তাকিয়েছিলাম
আমি তাকিয়েছিলাম
আমি তাকিয়েছিলাম
আর কিছু মনে পড়ছে না জানো
মহতী বিনষ্টি
আমি ফিনিক্সও নই, হোমাপাখিও নই
গরুড় কিম্বা কাকভূশণ্ডীও নই
চাতকের মত তৃষ্ণার্ত, তাকিয়ে আছি
তুমি শূন্য হলে, আমি শূন্য
তুমি পূর্ণ হলে, আমি পূর্ণ
বড়রাস্তা
সব গলিই ঘুরতে ঘুরতে বড় রাস্তায় মেশে।
তবু বড় রাস্তাটা এত শুনশান কেন?
গলি দিয়ে আসার সময় তো দেখে এলাম
হাজার লোকের চলাফেরা
কে বলবে?
দরজায় তালা ছিল না। তবু ভাবলাম, ছিল হয়ত।
দিশাহারা হয়ে কড়া নেড়ে বেড়ালাম, এ দরজায়, সে দরজায়।
খুলল না।