আগন্তুক
আগন্তুক
তুমি গান থামিও না
সব বাঁকা হাসি
ম্লান হয়ে আসে ধার হারিয়ে
পাতা হাত
গুটিয়ে আসার শক্তি পায়
শূন্য হয়েও
অ-ভেদ
চাঁদ জানে না
কবে সে ঈদের
পথ জানে না
আজ সে জগন্নাথের
ঈদের চাঁদের আলোয়
স্নাত হয় জগন্নাথ মন্দিরের চূড়ো
আত্মদানে
বিনা অভিযোগে পুড়লাম
অবহেলায়, স্বেচ্ছায়
সমস্ত ছাই হল
তবু সবটুকু ছাইও যখন তোমার দিকেই উড়তে চাইল,
তখন
উদাসীন
স্টেশান আবার ট্রেনের অপেক্ষায় কবে থাকল?
নাকি বাসস্ট্যান্ড থাকে বাসের অপেক্ষায়?
অপেক্ষায় তো থাকে যাত্রীরা, যাদের যাওয়ার আছে
কোথাও না কোথাও, দরকারে- অদরকারে
অসহায়তা
আমার কিছু কিছু অসহায়তা তো
আমি নিজেই বুঝি না
তোমায় বোঝাব কি করে?
সুড়ঙ্গ
লোকটা দরজা বানাতে চায়নি
শুধু কয়েকটা সুড়ঙ্গ বানিয়েছিল
স্ব-ভাব
কিছু ভুল কেন যেন শোধরানোই যায় না
আসলে তো ওরা ভুল নয়
স্বভাব। স্ব-ভাব।
তাই হোক। না হয় বারবার ফিরি।
ভাবের ঘরে চোর না ঢুকুক।
জাল
দাঁড় বাইতে বাইতে লোকটা পাড়ের দিকে তাকিয়ে ছিল
তার ছোট্টো কুঁড়েঘরটা মিলিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে....ক্রমশ একটা বিন্দুর মত হয়ে যাচ্ছে...মিলিয়ে গেল...
কে?
মাথার মধ্যে যারা ঘোরে
যারা ঘুরতে ঘুরতে কথা বলে
এক একটা সাম্রাজ্য তৈরি করে
আবার ভেঙে ফেলে,
তারা কারা?
তাই?
কথা দিল?
না গারদ বানিয়ে গেল?
প্রেম জন্ম নিল?
না বনসাই বানানোর টব-মাটি দিয়ে গেল?
জীবনের অর্থ মিলে গেল?
না চাঁদ-তারা স্টীকার ছাদেই চিপকে গেল?