Skip to main content

একা

অন্যজনের কথা কেন বলবে?
এসো। একা বসে কটা কথা একা একা বলো।
ওরা পাগল বলবে? বলুক।
ওরাও একা একাই বলবে তুমি না শুনলে।

যবনিকা

তোমার সাথে বোঝাপড়া তো আছেই
    আজ না হয় কাল
মাটিতে পা রাখা, আলোতে চোখ মেলা

আসবে

ঝরণার জলে পা ডুবিয়ে বসে
আমার পা ছুঁচ্ছে নুড়ি- পাথরের সোহাগ

ফাঁকি

 

 

ভোরের বাতাস একলা এসে ডাকল
বলল, হাঁটতে চল
হলুদ সবুজ মেশা সরষে ক্ষেতের ধার দিয়ে ঘুরে আসি চল

উতলা মনে লাগল হিসাবী অঙ্কুশ
বললাম, তাড়া আছে যে! অন্য কোনোদিন?

সে মুখভার করে ফিরে গেল

অপেক্ষায় রইলাম
এই বুঝি আমার দরকারী কাজ এলো!

ওমা! ঘন্টার কাঁটা নড়ল দেড় ঘর
   কই গেল আমার সেই গুরুগম্ভীর কাজ?

প্রান্তিক

কবে দাঁড়াব সামনে তোমার -
     অখণ্ড অবকাশে,
   পিছনে রেখে সব সংসার ভার -
        বিনা শোকে, বিনা ক্লেশে?

মাটি

হতে পারে তোমার ঘুম আসছে না
হতে পারে তুমি কাজের ফাঁকে ফাঁকে
                হচ্ছ অন্যমনস্ক
কোথায় যেন ঘটেছে কিছু ভুল
  কার কাছে যেন বাকি আছে ক্ষমা চাওয়া
একবার বাইরে এসো
খোলা আকাশের নীচে দাঁড়াও
একবার নত হও
স্পর্শ করো মাটি দু'হাত বিছিয়ে

ঢল

দেখতে দেখতে
সব বাড়িতে জ্বলে উঠল আলো
  ঠোঁটের আবদার লাগল গালে যেই
বিষন্ন কুয়াশা কাটল
আড়ামোড়া ভাঙা শরীরে এল আদরের ঢল
সন্ধ্যে এখন
চায়ের কাপে চুমুক দেওয়া ঠোঁট
  চোখ নির্জন অরণ্যে একা সর্দার
     তুমি অরণ্যের গুপ্ত জিয়ন ডাল
আঙুলগুলো পরীদের যাদুকাঠি

কথা

না তো। আসেনি তো কেউ?
শাড়িটাকেই ঘিরে ভাঙা বারান্দার উত্তর দিক আটকানো
পৌষের শীত গো মা, মানবে কেন?
আরে আরে ডেকো নি গো!
ও রাত আটটাতেই ঘুমুতে যায়।
কি খায়?
থাকলে খায় ভাত
না হলে খায় মুড়ি
হে হে...মাঝে মাঝে বাতাসও খায়
কোথায় শোয়?
ওই মাদুর পেতে। নিকানো বারান্দা।
ঠাণ্ডা লাগে?
না তো, সারা শরীরে কড়া পড়ে

শুভ নববর্ষ

ভালোবাসা
আমার আলো

ক্ষমা
আমার স্নানজল

বিশ্বাস
আমার পথ

অনুরাগ
আমার গতি

প্রার্থনা
হতাশার অন্ধকারে
   আমার চকমকি

বন্ধুরা
আমার হৃৎযন্ত্রের ছন্দ

স্বপ্ন
কোনো একদিন
সাদা খবরকাগজের পাতা

তুমি
আমার আশা
আমার দিশা
আমার শেষ আশ্রয়

 

পরিবর্তন

কেউ বিপদে ফেলে বলেছিল -
            দেখ কেমন লাগে
কেউ বিপদে দেখে বলেছিল -
কাজ আছে ভাই আসি
সব ঠিক হয়ে গেলে একটা মিসড কল দিস
             চলে আসব
কেউ বিপদে শুনেই বলেছিল -

Subscribe to কবিতা