Skip to main content

প্রবর্তন

ওই শুকনো ফুলটার দিকে তাকাও
    দেখো, কোনো প্রজাপতি, কোনো মৌমাছি
    ওর ধারপাশ দিয়েও ঘেঁষে না।
       ভালো করে খুঁজলে কটা কীট পেলেও পেতে পারো।

১লা শ্রাবণ

প্রথম বর্ষা না তো !
   দিনের বেলা ঘর অন্ধকার করে মেঘ ছেয়েছে তো বহুবার
  তবে তারা কারোর দূত ছিল কি? জানি না
 আমার বর্ষার মেঘ দূত হয়নি কোনোদিন,
         বন্ধু হয়েছে একলা আকাশের আমার

আশা

যা গিয়েছে যাক
   যেটুকু ক্ষতি হওয়ার আছে হোক

ঝড় উঠেছে উঠুক
   বাঁধ ভাঙা বন্যা আসার আছে আসুক

তবু মিথ্যা অলসতার আবিলতা নয়
   জয়-পরাজয় ক্ষণিক স্থায়ী

পরোয়া করো না

তুমি এক ঝটকায় হাত সরিয়ে নিলে
        বলতে পারতে লাগছে তোমার

যে ফুলগুলো বাসি,
          সেগুলো ফেলার আগে
        কেউ জিজ্ঞাসা করে না - ফেলব?

নদী

কিছু ভালোবাসা দু'হাতে ধরে না
     দু'হাত ছাপিয়ে নদী হয়ে যায়

সে নদী শুধু কি একলা গোপনে?
     না গো না, না গো না

সে নদীর কুলে স্তব প্রার্থনা
     আজান কলমা সে নদীর ঢেউয়ে

তুমি চাইলেও নামতে পারো
     শুধু দু'চোখে আনো আলোর খিদে

অতলে

অপরিচিত একটা মুখ
রোজ আমার জানলায় এসে দাঁড়ায়
কখনো কাঠবিড়ালি, কখনো কাক
কখনো ভোরের বাতাসের আলতো ছোঁয়া সাথে

সাগর কথন

 


----
বুদ্ধি নিজে না বুঝেও বোঝাতে পারে
          সে তো নাক উঁচু তাই দাম্ভিক
অনুভব নিজে বুঝেও কি বোঝাতে পারে?
          সে কবে হল ভাই তার্কিক?!

চুপ করে শোনো

চুপ করে শোনো
তারারা ফিরে যাওয়ার আগে কি বলে গেছে

দেখো ফাতনা না ডুবলেও লোকটা বসে আছে
    এই আড়াই ঘন্টা হল

বাচ্চা মেয়েটা স্কুলে যাওয়ার ব্যাগ নিয়ে রাস্তায়
  স্কুলের থেকে রাস্তাটা টানছে বেশি

তুমি

তোমার গলার আওয়াজ শুনলে
    আমার ফুটোফাটা দুঃখগুলোতে
                  চুণকাম পড়ে যায়

তুমি ফিরে তাকালে
  আমার যত ব্যর্থ চেষ্টাগুলোর ঝোঁপে
      প্রজাপতি ডানা মেলে পা ছড়িয়ে বসে

স্রোত

নদীর স্রোতে পা ডোবাতো
    মাথা ভিজিয়ে স্নান করত
তার উছ্বল স্রোতের সুরে গান গাইত

ভালোই ছিল
   কে বলল, ওকে ঘড়ায় যদি বাঁধতে পারিস
       তবে ও চিরকালের তোর!

সে ঘড়ার জলে নদী বাঁধতে চাইল
  ঘড়া ভরা জল ঘরের কোণে রাখল

Subscribe to কবিতা