তুমি জানতে?
আমার ভালোবাসার সাক্ষী কি কেবল আমিই ছিলাম? না তুমিও ছিলে?
ভয় করে
ভুল শুধু আমিই বুঝলাম
না তুমিও
খালের জল খরস্রোত হল
তুমি ওপারে কখন গেলে?
তুমি কি জানতে বান আসছে?
অপেক্ষা
কোনো একদিন না হয়
কোনো একদিন না হয়
অকারণেই দরজার বাইরে পা রাখলে
ভিড় সরিয়ে, চেনা চোখ এড়িয়ে এলে
বুকের একটা অচেনা দরজার সামনে
টোকা দিলে
ঠক ঠক ঠক
দরজার ওপাশে শুনলে কার চুড়ির আওয়াজ
নূপুরের রিনিরিনি শব্দ উঠল যেন মৃদু ঝংকারে
ফুটেছে কি?
দীর্ঘ না অল্প পথ সামনে
জানি না।
ধুলোয় নিজের পায়ের ছাপ মিলাতে দেখেছি কতবার, অতীতে।
সামনের পথটাতেও সে ছাপ থাকবে না জানি
আমি হেঁটে যাওয়ার পর।
অভিমান হয় খুব
তবে এত আয়োজনের কি খুব দরকার ছিল?
যেন
মেঘ
সূর্য বাষ্পীভূত করে জলকে
পাত্রকে জলশূন্য করে
আমি বহুকাল আগেই বাষ্পীভূত
তোমার চোখের তাপে
'আমি' শূন্য বুকের খাঁচা এখন
আজ আমি মেঘ
শুভেচ্ছা
তাকিয়েছো কি নিবিড় করে
পথের পরে
চেয়েছিলে কি আপনমনে
আমার কাছে
গোপন উপহার?
পারো?
ক্ষমা চাইতে হাতজোড় করতেই হবে?
না তো!
ভালোবাসি বোঝাতে সংলাপের সুর আনতেই হবে?
না তো!
কুহক
দূরত্বই থাক
কিছুটা কুহকে বাঁচুক ভালোবাসা
খাদের ধারে দাঁড়িয়ে
সামনে পথ নেই জানি
তবু কুহকে ঢাকুক পথের নিরাশা
পথ
শেষমেশ কোথায় যাবে?
কোনোদিন জানতে পারবে না
কেউ পারেনি জানতে
তবু রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে পোড়ো না
এক পা এক পা করে এগোও