Skip to main content

সরে দাঁড়াও

অবশেষে না হয় শূন্য আঙিনা হবে
   শূন্য আঙিনাও কাড়বে?

দুদিক

তুমি তোমার ছুরিটাকে দুদিকেই ধার দিয়েছ
এখন যা খুশি তাই কাটছ কচ কচ করে
   বারণ করতে গেলেই বলছ

সিঁদুর

তোমার সিঁথিতে যে লালদাগ
     ওটা বেড়া না বাগানের সীমারেখা?
তবে আমার মাথায় নেই কেন?

আসল কেউ নয়

আসলে কেউ আসল নয়
সাজঘর বদলে যায়
   মঞ্চ বদলে যায়

স্পর্ধা!

মুড়ি বিক্রী করতে আসেন
    পঁয়তাল্লিশ ঊর্দ্ধ, চশমা চোখে ছিপছিপে মহিলাটি

জল

গোলাপগুলোয় আগুন জ্বলছে
   জল অভিমানী নাকি বীতশ্রদ্ধ?
    তাকে ডাকলেও সাড়া দিচ্ছে না

অযাচিত

পুড়ছিলাম একা
        ধূপের মত

ফটক

আমি কোনো দূরের তারার গতিবিধিতে চোখ রাখিনি কোনোদিন

আকাশের দিকে তাকিয়ে কোনো অসীম অস্তিত্বের দিকে হাত বাড়াইনি কখনো

আমার বুকের মধ্যে বারবার ঢুকেছি
   সেখানে আছে মস্ত একটা ফটক
বাইরে আসার। নিজেকে ছেড়ে বাইরে দাঁড়াবার, নিজের দিকে পিছন ফিরে।

'আমি'

আমি আকাশকে নীল আর মাঠকে সবুজ প্রথম তাকিয়েই বুঝেছি।
তুমি শুধু শব্দদুটো দিলে - নীল আর সবুজ।
আমি মায়ের জন্যে কান্না আর অপরিচিত হাতের থেকে দূরত্ব রাখা জন্মলগ্নেই জেনেছি।
তুমি দুটো শব্দ দিলে - ভালোবাসা আর ভয়।
আজ থাকা আর ছেড়ে যাওয়া দুজনকেই দেখছি পাশাপাশি।
তুমি দুটো শব্দ দিলে - জীবন আর মৃত্যু।

Subscribe to কবিতা