অপেক্ষা
সকালের আলোয়
ফুটবে বলে ...
আজীবন
নিজের থেকে পালাবে বলে ঈশ্বরকে খুঁজলে আজীবন
ঈশ্বরের মুখোশের আড়ালে কে যেন ভয় দেখিয়ে গেল তোমায় আজীবন
কলঙ্কে তোমার ভয়
তাই কলঙ্ক সৃষ্টি করলে মনের আনাচেকানাচে
ওদের ধুয়ে ধুয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখলে আজীবন
ভুলে যাও
প্রতিবার তোমার হাত ছুঁতে গেলে ভয় হয়
মনে হয়, বুঝি ধরা পড়ে যাব!
সব দুর্বলতাগুলো
স্পর্শে অনুদিত হবে
তুমি ছুঁয়ো না আমায়
দূরে থাকো
অজস্র সহস্র মুহুর্ত দূরে থাকো
ভয়
ততদিনের নিশ্চিন্ততা
যতদিন একেও নকল না করে
বাজারে আনে কালো ছাপ
ফাঁকি যদি ধরতে না পারি
নতুন বন্দুকের যতই বড়াই করি
ওদিকে বাঘেও শিখছে নতুন লাফ
তাই মনে বাসি ভয়
কোন ক্ষমতা রাতারাতি
আবার রাজ ইঙ্গিতে লোপ হয়
সরিষার মধ্যে ভুত
দুষ্ট মাছ ধরা পড়িবে, জাল বিছানো হইল। জালে ধরা পড়িতে লাগিল, খাবি খাইতে লাগিল শুধু চুনোপুটি। রাজা বলিলেন, বড় মাছ কই?
পাত্র-মিত্র-সভাসদ আদি সবাই কহিল, তাই তো, বড়মাছ কই?
মন্ত্রী কহিল, আসিবে।
পাত্র-মিত্র-সভাসদ সক্কলে কহিল সমস্বরে -
আসিবে, আসিবে, আসিবে
উচ্চতা
লোকটার থাকার ঘর চোদ্দতলায়
লিফটে করে ওঠে
জানলা দিয়ে নীচে তাকায়
ফুটপাথের সংসারকে দেখে আত্মশ্লাঘায়
ফুটপাথে প্লাস্টিক মোড়া ছাদের নীচে একার সংসার
সে প্লাস্টিকের ফুটো দিয়ে দেখে শরতের আকাশ
আনন্দলহরী
আমার মালিকানা
সময়, আলো, মাটি সব মিলিয়ে
তখন তোমায় পুরোটা পাই না। ...
তাই হয়
তুমি কি আকুতি ভরা দৃষ্টিকে উপেক্ষা করে, 'না' বলোনি মুখের উপর?
তুমি কি সাহায্য চাওয়া দুটো হাতের সামনেই দরজাটা ধড়াস করে বন্ধ করোনি? ...
প্রাচীনা
যেন খুব আলাদা কিছু বলার ছিল
আলাদা শব্দে,
আলাদা ভাবে,
আলাদা সুরে
বলতে গিয়ে বেরোলো সেই চিরাচরিত ধারা-